সংজ্ঞা

কোষ বিভাজন কাকে বলে | Kos bivajon kake bole Bangla

কোষ বিভাজন কাকে বলে: আমরা আজকে জানবো কোষ বিভাজন কাকে বলে? এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের । আশা করি আপনারা এই প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন আমাদের MyArfan.com Website থেকে। আর হ্যা, এই পোস্ট গুলো official-result.com Website থেকে নেওয়া। তাই সব Credit তাদের রইলো।

কোষ বিভাজন কাকে বলে

কোষ বিভাজন কাকে বলে

যে পদ্ধতিতে একটি কোষ হইতে দুই বা অধিক অপত্য কোষের সষ্টি হয় তাহাকে কোষ বিভাজন বলে।

আত্মপ্রতিলিপি গঠন সজীব বস্তুর সর্বাপেক্ষা উল্লেখযােগ্য বৈশিষ্ট্য। যে পদ্ধতিতে কোষ তাহার নিজ প্রতিলিপি গঠন করে তাহাকে কোষ বিভাজন বলে। বিভাজন পদ্ধতিতে বহুকোষের উৎপত্তি জীবের সার্বিক বৈশিষ্ট্য। একটি কোষ অন্য আর একটি অনুরেপ কোষ হইতে উৎপন্ন হয় এবং এই সূত্রই জীবন-প্রবাহের ধারাবাহিকতার প্রকৃতি ভিত্তি। জীবদেহে কোষ বিভাজন তিনটি পৃথক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়। যেমন-

  1. অ্যামাইটোসিস (Amitosis)
  2. মাইটোসিস (Mitosis) ও
  3. মিয়ােসিস (Meiosis)।

কোষ বিভাজন (Cell Division) : পৃথিবীর সকল সজীব বস্তু একটিমাত্র কোষের দ্বারা তাহাদের জীবন শুরু করে। এই কোষটি নিয়মিত বিভাজিত হইয়া বহু কোষের সৃষ্টি করে এবং বহুকোষ হইতে লার্ভা বা ভ্রুনের সৃষ্টি হয়। এই লার্ভা বা ভ্রুন জীবে পরিণত হয়। জীবের জনন, বৃদ্ধি ও বিভিন্ন অঙ্গের ক্রমবিকাশের জন্যই এই কোষের ক্রমাগত বিভাজন হইতে থাকে। এমন কি পূর্ণবয়স্ক জীবে বৃদ্ধি, মেরামত, ক্ষয়প্রাপ্ত কোষের প্রতিস্থাপনের জন্যও কোষের বিভাজন ঘটিয়া থাকে।

সিলভার কাকে বলে

বিপাকীয় ক্রিয়ার উপচিতির (Anabolism) ফলে কোষ আকার ও আয়তনে বৃদ্ধি পায়।কোযের আকার ও আয়তনের বদ্ধি কিন্তু শারীরবৃত্তীয় কার্যের প্রয়ােজনীয়তা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। আকার ও আয়তনে চরম বুদ্ধিপ্রাপ্ত হইবার পরই কোষ বিভাজিত হয়।
নিউক্লিয়াসে ডি. এন. এ.-র পরিমাণ দ্বিগণ হইলেই কোষবিভাজন শুরু হয়। প্রকতপক্ষে কোষবিভাজন একটি জিন নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতি।

আশা করি এই কোষ বিভাজন কাকে বলে? প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে বুঝতে পেরেছেন। যদি আমাদের এই পোস্ট থেকে একটু হলোও উপকারি হোন তাহলে আমাদের আরো পোস্ট ভিসিট করুন।

Also Read: কোষ বিভাজন কাকে বলে

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.