গল্প

খালাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প | ভালোবাসার গল্প – valobashar golpo

আজকে আমরা দেখবো খালাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প। তো চলুন কথা না বাড়িযে কাজ শুরু করা যাক।

খালাতো বোন যখন বউ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

আম্মু অনেক দিন থেকেই বলতেছে খালার বাসায় যেতে।কিছু জিনিস দিয়ে আসতে হবে তাই তবে খালার বাসায় না যাওয়ার পিছনে একটাই কারন দুষ্ট বদমাশ খালাত বোনের জন্যওহ্ আগে আমার পরিচয় টা দিয়ে নেই আর্মি ফারহান সবেমাত্র অনার্স শেষ করেছি। আমরা এক ভাই বোন, বোনের বিয়ে হয়ে গেছে।বাসায় আমি আর আম্মু থাকি আবু চাকুরির সুবাধে চিটাগাং থাকেন৷

মা অনেক রিকুয়েস্ট করার পর খালার বাসায় যেতে রাজি হয়েছি তবে এমনি এমনি রাজি হয়নি। আমার ডিমান্ড ছিলো ৫ হাজার টাকা।টাকা দেওয়াতে রাজি হয়েছি পরদিন সকাল সকাল কিছু জিনিস নিয়ে খালার বাসার দিকে রওনা দিলাম৷ বাসায় পৌছে খালাকে সালাম দিলাম৷ খালা সালাম এর উত্তর দিয়েই বকাঝকা করা শুরু করে দিলো!!

খালা:- হ্যা আমাদের কি ভুলে গেছস বড়লোক বড়লোক ভাব দেখাছ। কতবার ফোন দিয়েছিআর ফোন দিলেই বা কি আমি যখনি ফোন দেই তুই তোর আম্মার হাতে ফোন দিয়ে দেছ। কেন আমার সাথে কথা বলতে ভালো লাগে না???

Also Read: অপ্রিয় কিছু সত্য কথা

Also Read: জীবনের কিছু সত্য কথা

আমি:- এদিকে দেখি খালাত শয়তান সরি খালাত বোন এসে হাজির..!! ওর নাম আখি এবার এস এস সি পরিক্ষা দিয়েছে বাবা মায়ের এক মাত্র রাজকন্যা)। আঁখি তার মাকে বলল।

আঁখি:- আচ্ছা মা এখন ছেড়ে দাও ফ্রেশ হয়ে আসুক এরপর না হয় আবার শুরু করবা।

আমি:- ওদের বাসায় আসতে চাই না এ কারনেই আসার সাথে সাথে আমার পিছু লাগবেই।তবে আমিও কম যাই না আর্মি ফ্রেশ হয়ে বাসার সব রুম চেক করতে লাগলাম কোন রুমে থাকা যায় অবশেষে আখির রুমের দিকে নজর পড়ল।

আঁখি:- এই যে মিস্টার আমার রুমের দিকে নজর দিয়ে লাভ নেই.!!

আমি:- কেনো তোর রুমে কি গুপ্তধন রাখা আছে নাকি। হুম..!! সামনে থেকে সরে দাড়া।

আমি:- আখিঁর রুমে যেতেই অভাক হয়ে গেলাম এত গুছালো রুম কখনো দেখিনি।মনে মনে ঠিক করলাম যে কদিন থাকবো ওর রুমেই থাকবো।আখি কে বললাম তর দরকারি জিনিস পত্র নিয়ে এই রুম খালি কর।

আঁখি:- মানে কি!! আর তুই বললেই আমি রুম ছেড়ে দিবো নাকি? এটা আমার রাজপ্রাসাদ আপনি অন্য রুম এ থাকেন আরো ২.৩ টা রুম খালিই আছে..!!

আমি:- আমি আর কথা না বলে আমার ব্যাগ গুছানোর ভাব নিলাম..!!

আঁখি:- কি হলো কই যাচ্ছেন.??

আমি:- বাসায় চলে যাচ্ছি এখানে না আছে আমার সম্মান না আছে কিছু আর্মি যানি তুই এতে অনেক খুশি হবি। আরো কিছু ইমোশনাল ডায়লগ দিলাম যাতে ওর মন নরম হয়ে যায়৷ওর চেহারার দিকে তাকিয়ে বুঝলাম কাজ হয়ে গেছে কারন ও চুপচাপ হয়ে গেছে।তাই ভাবলাম ও রুম ছেরে দিবে ভেবে ব্যাগ গুছানো বন্দ করলাম।ঠিক তখনি আখি বলে উঠলো..??

আঁখি:- এই যে মিস্টার ব্যাগ গুছানো বন্দ করলেন কেনো তাড়াতাড়ি ব্যাগ গুছিয়ে এখান থেকে ফুট হন..!! আর যাওয়ার আগে আমাদের বাসার কথা বলে যে ৫ হাজার টাকা নিয়ে আসছেন ওগুলা দিয়া যান।
আমাদের দুজনের কথা বাত্রা শুনে খালা এসে বলল

খালা:- কি হয়েছে ফারহান ব্যাগ গুছাচ্ছ কেনো..??

আমি:- কি আর করবো আপনার মেয়ে তো থাকতে দিচ্ছে না..!!

আঁখি:- না আম্মু তুমি ওর কথা বিশ্বাস কইরো নাহ্!! মিথ্যা ভাব নিতেছে।

খালা:- তুই চুপ কর ছেলেটা কতদিন পরে আসছে ওর সাথে এমন করতেছিস কেনো আর বড়দের সাথে কেমন করে কথা বলতে হয় হুম?? এ রকম করলে আর তো আসবে না তুই তোর দরকারি জিনিস পত্র নিয়ে আমার রুমে চলে যায়।

আমি: এখন হয়ছে না উচিত শিক্ষা আমার সাথে লাগতে আসলে এমনি হবে।রাগে আখিঁর নাক মুখ লাল হয়ে যাচ্ছিল।ওর জিনিস পত্র নিয়ে অন্য রুমে চলে গেলো জিনিস পত্র বলতে তিন চারটা মেকাপ বাক্স৷আমি মনের সুখে বিছানায় শুয়ে পড়লাম আহা কি মজা আর ছোট বেলা থেকেই আখিঁ আর আমাকে জামাই বউ বলে খেপানো হত।আমি অবশ্য এতে বিরক্ত হতাম না.তবে বিরক্ত হবার ভাব নিতাম আর বলতামও’কে কে বিয়ে করবে অনেকটা নবাবী ভাব নিয়ে আর আখিঁর মত মেয়ে পাওয়া এ যুগে খুব কঠিন..!!

এত সুন্দর চরিত্রবান মেয়ে আর চেহারা তো মাসাআল্ললাহ অনেক সুন্দরি একটা মেয়ে মেকাপ ছাড়া একদম পরির মত লাগে৷তবে সমস্যা একটাই প্রচন্ড ঝড়রাটে একটা মেয়েতবে ও সিংগেল বা রিলেশন করে নাকি এ ব্যাপারে কিছু যানি নাহ্, আর গুপন তথ্যে যানতে পেরেছি ওর সাথে আমার বিয়ের কথাবার্তা চলবে।এগুলা নিয়ে ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পরেছি লাম৷একেবারে সন্ধার দিকে উঠলাম।তবে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিলচোখ খুলতেই দেখি আখি আমার নাক চেপে ধরেছে, একি জ্বালাতোন রে বাবা..!!

আঁখি:- আপনাকে আম্মা নিচে ডাকছেন!

আমি:- এই শোন তোর জন্য একটা গিফট নিয়ে আসছি দাড়া নিয়ে যা। আখিঁর মুখের দিকে তাকাতেই দেখি সে তো মহাখুশি ব্যাগ থেকে বড় রকমের একটা রেপিং করা বাক্স ওর হাতে দিলাম।

আঁখি:- এটার ভিতর কী রয়েছে?

আমি:- এটা আমি চলে যাওয়ার পরে খুলবি তার আগে না ওকে..??

আঁখি:- ok,ওকে

আমি:- ও মেকাপ করতে লাইক করে খুব তাই ঐ বাক্স তে মেকাপ করার জিনিস পত্রই ছিলো। সেদিন দিন মত খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম৷সকালে চোখ খুলেই দেখি আমার সারা শরিরে আটা ময়দা সুজি এগুলা ছড়ানো ছেটানো পাশে দেখি আখি দাড়িয়ে আছে- আমি বলে উঠলাম এ সব কেমন করে হলো?

আঁখি:- আমি করছি।

আমি:- কেন ?

আঁখি:- তুই কালকে আমাকে গিফট এর নাম করে আটা ময়দা দিয়েছিস কেনো..??

আমি:- কারন তুই এগুলা মুখে দিলে তকে অনেক সুন্দর লাগে তো তাই !!!

আঁখি:- আর আমার রুম থেকে সিগারেট এর গন্ধ আসতেছে কেনো??

আমি:- কই সিগারেট এর গন্ধ??আমি এসব পচা জিনিস খাই না..!!

আঁখি:- তাই

এই বলেই আখিঁ রুম থেকে চলে গেলো বুঝতে পাড়লাম আখিঁর মন ভালো নেই তবে কেনো ভালো নেই সেটা বুঝতে পারতেছি না.ফ্রেশ হয়ে নিচে গেলাম নাস্তা করতে নিচে গিয়ে দেখি খালাম্মা নাস্তা রেডি করে আমার জন্য অপেক্ষা করতেছে??

আমি:- আখি কে দেখছি না ও কই নাস্তা করবে না নাকি..!!

খালা:- কি যানি বাবা ওর হঠাৎ করেই কেমন যেনো মন খারাপ দেখা যাচ্ছে ঠিকমত কথা বলছে না..!!নাস্তা করতে বললে বলে ক্ষুধা নেই..!!

আমি-, খালাকে বললাম তুমি নাস্তা করে নিও আমি দেখতেছি আখিঁর বিষয়টা।আখিঁর রুমের দরজা খুলতেই এলো পাথাড়ি জিনিস পত্র ছুড়ে মারতে থাকে আমাকে..!! দেখলাম ও বিছানায় বসে বসে এ সব শয়তানি করতেছে.।

আমি:- কি হয়েছে আমাকে মারবি আচ্ছা আমাকে মারলে তো তোর মন ভালো হবে তাই না ওকে মার..!! এই বলে আমার সুন্দর গালটা যেই না ওর দিকে বাড়িয়ে দিয়েছি!!ওমনি ঠাস করে একটা আওয়াজ শুনলাম এরপর ২ মিনিট কানে কিছুই শুনতে পায় নি নির্মিশেই আমার সুন্দর গালটা লাল হয়ে গেলো। আমি মাথা নিচু করে বসে পড়লাম৷

আঁখি:- সরি.. আর্মি এত জুরে মারতে চাইনি আচ্ছা খুব লেগেছে কী.??

আমি:- আমি মাথা নাড়িয়ে বললাম হ্যা..!! এরপর আখিঁর খুশি দেখে কে..যাই হোক আমাকে মেরে যদি কেও খুশি থাকে তবে আমিও খুশি..!! এরপর আঁখি আমাকে বললো – চল আজকে বাহিরে খাবো..!!

আমি:- আমি যাবো না!!

আঁখি:- কেন জাবিনা রাখ করেছিস আমার উপর।

আমি:- যাবনা বলে আমার গালে হাত বুলাতে বুলাতে চলে আসতে লাগলাম তখন আখি বললো ৫ মিনিট সময় দাও আমি রেড়ি হচ্ছি. দুজন মিলে এক রেস্টুরেন্ট এ যেয়ে খাওয়া দাওয়া শেষ করে বাহিরে আসলাম। বাহিরে আসতেই সবাই দেখি আমার দিকে তাকিয়ে রয়েছে..!! মনে মনে ভাবতে লাগলাম আগের থেকে অনেকটা স্মার্ট হয়েছি!!হয়তো তাই সবাই নজর লাগাচ্ছে!কেন যে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় কপালে কালো টিপ দিয়ে আস লাম নাহ্ দূর..!!🙄🙄

আঁখি:- মনের মধ্যে কি এত বিড়বিড় করছিস একটু জুরছে বল আমিও শুনি..!! { খালাতো বোন যখন বউ }

আমি:- না থাক তুই শুনলে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠবি তর শুনতে হবে না..!!

আঁখি:- বাব্বা কি এমন কথা, যাই হোক চল বাসার দিকে যায়…!

আমি:- এত তাড়া কিসের চল তকে আজকে শপিং করে দিবো.!

আঁখি:- সত্যি বলছিস

আমি:- ওকে কিছু শপিং করে দিয়ে বাসার দিকে রওনা দিলাম তবে কেমন যেনো পকেট ফাকা ফাকা লাগছিল পকেটে হাত দিয়ে দেখি ১২০ টাকার মত আছে পরে গেলাম চিন্তায় আমি চলবো কিভাবে ভাবলাম কাল সকালে বাসায় চলে যাবো।রাত বাজে ১০ টা সিগারেট এর প্যারা উঠলো!! গতকাল রুমের মধ্যে সিগারেট খেয়ে দরা পরে গিয়ে ছিলাম আজ আর সেই ভুলটা করবো নাহ্!!

তাই এক দৌড়ে বাসার ছাদে চলে গেলাম বাহ্, কি সুন্দর পরিবেশ চারদিক নিশ্চুপ আবার চাঁদের মিষ্টি আলো সিগারেট জ্বালিয়ে মনের সুখে সিগারেট টানতে লাগলাম একটা শেষ করে অরেকটা জ্বালানোর সাথে সাথে দেখি আখিঁ ছাদের দরজার সামনে দাড়িয়ে আমাকে দেখছে।
তবে ওকে দেখে ভয় পেলাম না কারন আজকে ওকে রেস্টুরেন্ট নিয়ে খাইয়েছি, আবার কিছু শপিং করেও দিছি তাই সিগারেট খাচ্ছি এটা খালাকে বললে নাহ্..!! তাই ভাব নিয়ে সিগারেট এ জুরে টান মেরে ধুয়া ছাড়তে ছাড়তে বললাম..!!
কি রে আখি এত রাতে ছাদে কী হুম? ভূতে ধরবে।নিচে যা তাড়াতাড়ি..!!

ও তখন ভদ্র মেয়ের মত নিচে চলে গেলো যাক এত দিন পর মেয়েটা ভালো হলো।একটু পর কে যেনো পিছন থেকে আমার কান দরে টান দিলো পিছন ফিরে দেখি খালাম্মা..!! তখনো আমার হাতে সিগারেট আগুন টা রাতের আধারে জল জল করছে..!! এখন বুঝতে পারলাম আখি নিচে গিয়ে খালাম্মা কে পাঠিয়ে দিয়েছে মনে মনে ভাবলাম??
ওরে বাটপার তর পিছনে আজকে টাকা খরচ করে আমার পকেট ফাকাআর সেই তুই আমাকে এত বড় বিপদে ফেলবি আসলে শয়তান কখনো শয়তানি ছাড়ে না!!আমাকে নিচে নিয়ে গিয়ে ইচ্ছে মত বকাঝকা করতে লাগলো খালাম্মা!! আর বলতে লাগলোএ জন্যই তো ভাবি এত সুন্দর চেহারা তবে ঠোট কালো কেনো?? আরো নানা রকমের খোঁটা জ্ঞান দিতে লাগলোআখি দেখি দরজার আড়ালে মুখ লুকিয়ে হাসতেছে!!

ভাবলাম আজকের মত বেচেঁ ফিরতে পারলে পরে তকে দেখে নিবো..!! সে দিন এর মত ছাড় পেলাম রাতে শুয়ে শুয়ে বুদ্ধি করতে লাগলাম কেমন করে এই অপমান এর প্রতিশোধ নেবো..?? তাই ঠিক করলাম কালকে ওর ফোন নিবো কৌশলে ফোন নিয়ে দেখবো ও কার সাথে রিলেশন করে..!!
এত সুন্দর একটা মেয়ে সিংগেল থাকবে না নিশ্চয় এরপর খালাম্মা কে দেখাবো ও কি সব করে বেড়ায়, সকালে ঘুম থেকে উঠেই বদমাইশ আখিঁর মুখ দেখতে পেয়েছি..!আজকের দিনটাই যেনো মাটি না হয়ে যায় এ এজন্য দুয়া পড়ে বুকে তিনবার ফু দিলাম।
আমার কথা শুনতে পেরে আঁখি বলল।

আঁখি:- কি হলো দুয়া পড়ে বুকে দিতেছেন কেন খারাপ সপ্ন দেখছেন বুজি??

আমি:- না! ভূত দেখেছি

আঁখি:- দিনের বেলাতে ভূত?? { খালাতো বোন যখন বউ }

আমি:- আচ্ছা তর ফোনটা দে তো বাসায় ফোন দেবো আমার ফোনের চার্জ শেষ!! আখি ফোন দিয়ে আমার পাশেই দাড়িয়ে রইলো আমি বললাম৷ কি এখানে বোকার মত দাড়িয়ে না থেকে নিচে যা আম্মার সাথে পার্সোনাল কিছু কথা বলবো..!!
ও নিচে চলে গেলো..!! আর্মিত মহাখুশি এতদিন পর ঠিকঠাক ভাবে প্রতিশোধ টা নিতে পারবো আমি ওর ফোনের সব কিছু ভালো ভাবে চেক করলাম তবে কিছু না পেলেও!!ওর ফেসবুক ইমু আর গ্যালারী এ সব ওপেন করে আর্মি রিতিমত অভাক এমনকি আমার চোখ কপালে উঠে গেছে খালাত বোন আখিঁর ফোনটা নিয়ে ওর বয়ফ্রেন্ড আছে কি না সেটা দেখতে লাগলাম!! কিন্তু আজব ব্যাপার এত সুন্দর একটা মেয়ের বয়ফ্রেন্ড নেই!! ওর গ্যালারী জুড়ে শুধু আমার পিক!!!

আমার এত পিক যে.. ওর ফোনের গ্যালারী তে ওর নিজের পিক বের করতে কষ্ট হয়ে যাচ্ছিল বুঝলাম না আমার এত পিক ও কোথায় পেলো আর সেগুলা ওর কাছেই বা রয়েছে কেনো!!মেসেনজার ওপেন করলাম সেখানে দেখি ও শুধু মেয়েদের সাথেই মেসেজ করেছে!! অনেক ছেলেই মেসেজ দিয়েছে কিন্ত আখিঁ কারো মেসেজের রিপ্লে দেই নি!! একটা মেয়েকে কিছু কিছু ছেলে মেসেজ দিবেই স্বাভাবিক!!মেয়েদের সাথে করা মেসেজ দেখতে লাগলাম কারো পার্সোনাল বিষয় বা জিনিস দেখা ঠিক নাতবে আমি না দেখে থাকতে পারলাম নাহ্।ওর লাবনি নামের এক বেস্ট ফ্রেন্ড আছে যার সাথে ও সব কিছু শেয়ার করে। লাবনীর আইডি সামনেই ছিলো।আইডিতে ঢুকে দেখি ১০০ টা মেসেজ করলে তার মধ্যে আমাকে নিয়েই ৯০ টা মেসেজ!! মেসেজ গুলা এমন”””

আঁখি:- লাবনি তুই তো যানসই ক্লাস 7 থেকে কত ছেলের প্রপোজ পেয়েছি কাওকে পাত্তা দেই নি শুধুমাত্র ফারহানের জন্য।

লাবনী:- হুম সেটা তো যানি তাই তো তুই আজো সিংগেল তুই না সত্যি খুব ভালো রে একজন কেই মন দিয়ে বসে আসছ আমার তো এইটা তিন নাম্বার BF!!
আঁখি:- আচ্ছা দোস্ত মনের ভাষা বুঝানোর মত কি কোন জিনিস আছে?? থাকলে বল না!!

লাবনী:- না তবে এত ভয় কিসের সাহস করে বলে ফেল পরে যা হবার হবে!!

আঁখি:- ভয় লাগে রে যদি না করে দেয়।আচ্ছা এমন কোন যাদু আছে নাকি রে যেটা তে ফারহান কে বস করা যাবে!!

লাবনী:- দূর পাগলি!! আচ্ছা তুই বললে আমি ফারহান কে বলে তর হেল্প করে দিতে পারি!!

আঁখি:- না থাক ও সিংগেল কি না তাও যানি না তবে আমি ওকে চাই,, ওকে ছাড়া আর কাওকে নিয়ে কিছু ভাবতে পারি নাহ্এত সুন্দর ছেলে প্রেম করে ভাবছিলাম তবে কাল যখন ও ঘুমাচ্ছিলো তখন ওর ফোন চেক দিয়েছি তবে কিছু পায়নি।
ও আমার মতই মেয়েদের একদম পাত্তা দেয় না। নিয়ত করেছি আমাদের বাসা থেকে যাওয়ার আগেই ফারহান কে আমার মনের কথা বলে দিবো

আমি:- সব মেসেজ পড়ে ভাবলাম কি বদমাইশ এর বদমাইশ ও কাল আমার ফোন ও চেক দিছে ভাগ্যিস Ex GF এর সব কিছু ডিলেট করে দিয়েছি কিছুদিন আগে আর এগুলা তো আজকের মেসেজ আমাকে নিয়ে আরো হাজার হাজার মেসেজ রয়েছেইমু তে একি রকম অবস্থা।
যাই হোক ভালোই লাগতে ছিলো আর্মিও আখি কে লাইক করি তবে বলার মত সাহস হয়নি!!এমনি তে যে পাকনা মেয়ে!!খালাম্মা কে বলে দিলে আমার অবস্তা কেমন হত!! এগুলা ভেবেই কিছু বলিনি! তবে ভাবে যা বুঝলাম ও নিজেই আমাকে প্রপোজ করবে তাই আলগা চাপ নিলাম না..!!হঠাৎ করে আখি রুমে চলে আসলো! আমি তখনো ওর মেসেনজার এ ঢুকেই রয়েছি!!

আঁখি:- মেসেনজার চেক করে কি বুঝলেন??

আমি:- কে তোর মেসেনজার চেক দিতে গিয়েছে?? এইমাত্র চাপ লেগে মেসেনজার ওপেন হয়ে গেছে!! আর কারো পার্সোনাল জিনিস দেখার সভাব আমার নেই!!
আঁখি:- মিথ্যা বলবেন না আমি দরজার আড়ালে অনেক ক্ষন থেকেই দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখেছি আপনি মেসেজ পড়ছেন আর মুসকি মুসকি হাসি দিচ্ছেন!! আপনি কি যানের আপনার হাসিটা অনেক সুন্দর আমার দেখা সেরা হাসি।

আমি:- এইরে ধরা পরে গিয়েছি তবে আখি যে রকম ভাবে পাম দেওয়া শুরু করে দিয়েছে তাতে বুঝা যাচ্ছে যে ভাবেই হক আমাকে আজ কনফিউজড করে রাজি করিয়ে ছাড়বে!! তবে আমি এত সহজে পটবো না এখন একটু ভাব নেবো।
দেখেই যখন ফেলেছিস কি আর করার!! যাই হোক বাদ দে আর হুট করে আমাকে আপনি বলা শুরু করলি যে??

আঁখি:- বাদ দেবো কেন শুরুই তো করিনি! আর আপনি এখন আমার মনের সব কথা যেনে গেছেন তাই তুই তুখারী করতে লজ্জা লাগছে!!

আমি:- ইসসস কি লজ্জা!!খুব লজ্জা লাগলে মাথায় ঘুমটা টেনে চলে যা এখান থেকে!!

আঁখি:- না, মানে আপনার চলাফেরা কথা বলা স্মার্ট লুক, চোখ, কান, নাখ, ঠোট, বডি ফিটনেস বুকের লোম।

আমি:- দেখ আর নিচে যাইছ নাহ্ বলে দিলাম!! আর তুই আমার বুকের লোম কেমনে দেখতে পেলি!!

আঁখি:- ইয়ে মানে আপনার ওগুলা জিনিস ভালো লাগছে তাই বললাম আর আপনি গোসল করে গামছা পড়ে খালি গায়ে যখন ছাদে যেতেন! তখন আমি আপনার পিছু পিছু যেতাম! তখন বুকের লোম দেখেছিলাম একটুখানি!!

আমি:- দিলি তো মান সম্মানের ১২ টা বাজিয়ে এখন কানের কাছে যেন ঘেন না করে যা তো এখান থেকে!!

আঁখি:- আচ্ছা আমাকে আপনার পছন্দ হয় না?

আমি:- না, তো!! তবে এটা তো বললি না আর্মি তকে ভালোবাসি কি না??

আঁখি:- ওমা আপনি বুঝে গেছেন তাহলে… আচ্ছা আপনি আমাকে ভালোবাসেন

আমি:- অবশ্যই না।

আঁখি:- তাহলে বলতে বললেন যে…

আমি:- বলতে বলছি বলছস,, আর আমি উত্তর দিয়েছি!! মেয়েরা কেন যে এত বোকা হয়!! আঁখি কান্না সুরে উত্তর দিল।

আঁখি:- হুম সত্যি আমি বোকা

আমি:- এই বলে আখিঁ চুপ করে রইলো!! কিছুক্ষন পর বললো

আঁখি:- আচ্ছা কথার মাঝে কোন ভুল হয়ে থাকলে দয়া করে মাফ করে দিয়েন!!

আমি:- এই বলে উঠে যেতে লাগলো ওমনি আমি ওর হাত দরে টেনে আবারো বিছানায় বসালাম!! বললাম!! হুম তকে আর্মিও খুব খুব ভালোবাসি পাগলি!! তবে একটা শর্ত আছে??

আঁখি:- কি শর্ত

আমি:- আমাকে আপনি করে বলতে পারবি না তুই করে বলবি ??

আঁখি:- না এটা পারবো না.. আচ্ছা তুমি করে বলি??

আমি:- না না তুই করেই বলতে হবে!!

আঁখি:- না তুমি

আমি:- চলবে না তুই করে বল!!

আঁখি:- বিয়ের পর ও তুই করে বলবো নাকি??

আমি:- এখানে বিয়ে কোথা থেকে আসলো??

ঠিক তখনি আখিঁ লজ্জায় আমার বুকে মুখ লুকালো মেয়েটা সত্যিই অনেক ভালো আর লজ্জাবর্তী তবে এটা মানতে হবে ও আমার থেকেও বেশি বদমাইশ!!! বাসাতে বিয়ের ব্যাপারে রাজি করাতে বেশি সময় লাগবে না!!অর্ধেক রাজি হয়েই আছে!! আর আমরা দুইটাই বদমাইশ রাজি হবে না আবার এর আগে কর্দিন চুটিয়ে প্রেম করে নিই এভাবে শুরু হলো আমাদের প্রেম কাহিনী..!! সবাই দুয়া কইরেন আমাদের জন্য ( রোমান্টিক ভালবাসার গল্প )

See More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.